বরগুনায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে চার ভুয়া চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে।
ভুয়া চিকিৎসক
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (ঢামেক) থেকে ভুয়া চিকিৎসক ও তার এক সহযোগীকে আটক করেছে পুলিশ।
যশোর প্রতিনিধি: ভুয়া চিকিৎসক আটক করায় পুলিশ কনস্টেবল সোহেল রানাকে পুরস্কৃত করল জেলা পুলিশ।
খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতাল থেকে এস এম মেহেদী হাসান ওরফে পিয়াল হাছান নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে আটক করা হয়েছে।
ভুল চিকিৎসায় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় মেহেরপুরের গাংনীতে সুজন হোসেন নামের এক ভুয়া চিকিৎসকের দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
নড়াইলের লোহাগড়ায় মো. সফিকুল ইসলাম নামে এক ভুয়া চিকিৎসককে তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলায় এক ‘ভুয়া চিকিৎসককে’ তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ছাড়া অনুমোদন না থাকায় ওই ব্যক্তির মালিকানাধীন হাসপাতালটি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নড়াইলে কালিয়া উপজেলা সদরের চেম্বারে ডাক্তারি পাশ না করে মৃত চিকিৎসকের নাম ব্যবহার করে রোগী দেখার সময় মো. মোতাহার হোসেন (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ছাড়াই ১২ বছর ধরে দাঁতের চিকিৎসা প্রদান করা মো. মনিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠিয়েছে জেলা প্রশাসন। শনিবার চট্টগ্রামের হালিশহর জি-ব্লকের সেতু ডেন্টাল ক্লিনিক নামের একটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সনদ নেই। তার পরও দীর্ঘদিন ধরে নিজস্ব চেম্বার খুলে চক্ষু চিকিৎসক পরিচয় দিয়ে রোগীদের ব্যবস্থাপত্র লিখে দিতেন আলমগীর হোসেন।